✅দ্রুত বর্ধনশীল: এটি খুব দ্রুত বাড়ে। বীজ বপনের মাত্র ৩০ থেকে ৩৫ দিনের মধ্যেই ঘাস কাটার বা পশুকে খাওয়ানোর উপযুক্ত হয়ে যায়।
✅একাধিকবার কাটা: একবার বীজ বপন করলে এই ঘাস ৩ বার পর্যন্ত কাটা যায়। প্রথম কাটার পর আবার নতুন করে দ্রুত পাতা গজায়।
✅নরম ও সুস্বাদু: জুই ঘাস খুব নরম, চিকন এবং এর স্বাদ মিষ্টি হওয়ায় গরু, ছাগল ও অন্যান্য পশুপাখি খুব আগ্রহ সহকারে খায়।
✅উচ্চ পুষ্টিগুণ: এই ঘাসে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ফাইবার এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান রয়েছে, যা পশুর স্বাস্থ্য এবং উৎপাদনশীলতা বাড়াতে সাহায্য করে।
✅দুধ ও মাংস উৎপাদন বৃদ্ধি: নিয়মিত এই ঘাস খাওয়ালে গরুর দুধ উৎপাদন এবং মাংস উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।
✅শীতকালীন খাদ্যের উৎস: শীতকালে যখন অন্যান্য সবুজ ঘাসের ফলন কমে যায়, তখন জুই ঘাস পশুর খাদ্যের চাহিদা পূরণে একটি চমৎকার বিকল্প হিসেবে কাজ করে।
✅সহজ চাষ পদ্ধতি: এর চাষ পদ্ধতি বেশ সহজ এবং বাংলাদেশের আবহাওয়ায় সহজেই চাষ করা যায়। অল্প জমিতেই ভালো ফলন পাওয়া যায়।
✅হজম সহজ: এর নরম প্রকৃতির কারণে এটি পশুর হজমে কোনো সমস্যা তৈরি করে না।
সংক্ষেপে, জুই ঘাস পশুপালনের জন্য একটি অত্যন্ত কার্যকর এবং লাভজনক ফসল।